২০২০ সাল থেকে g444 বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ সদস্যকে স্পোর্টস বেটিং, লাইভ ক্যাসিনো, লটারি ও স্লটের অভিজ্ঞতা দিয়ে আসছে — সম্পূর্ণ বাংলায়, সম্পূর্ণ মোবাইলে।
g444 শুরু হয়েছিল একটা সহজ ভাবনা থেকে — বাংলাদেশের মানুষ যারা অনলাইনে বেটিং ও গেমিং উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য একটা বিশ্বস্ত, বাংলায় চালানো যায় এমন প্ল্যাটফর্ম দরকার। ২০২০ সালে যখন আমরা যাত্রা শুরু করি, তখন বাজারে যা ছিল সব ইংরেজিতে, সব বিদেশিদের জন্য তৈরি। bKash বা Nagad দিয়ে টাকা দেওয়া যেত না, সাপোর্টে কথা বলতে গেলে বাংলায় বুঝত না কেউ।
আমরা ভাবলাম, এটা হওয়া উচিত না। বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম হওয়া দরকার যেটা তারা সত্যিকারের নিজেদের মনে করবেন — ভাষায়, পেমেন্টে, সাপোর্টে সব কিছুতেই।
"g444-এর মিশন হলো বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া — যেন প্রতিটি সদস্য অনুভব করেন এই প্ল্যাটফর্মটা তাদের জন্যই তৈরি।"
সেই লক্ষ্য নিয়েই আজ g444 বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম। ঢাকা থেকে সিলেট, চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী — পুরো দেশে ৫০ লক্ষেরও বেশি সদস্য প্রতিদিন g444 ব্যবহার করছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারীবান্ধব অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া — যেখানে প্রতিটি সদস্য সম্মান ও স্বচ্ছতার সাথে খেলতে পারবেন।
এই ছয়টি বিষয় g444-কে বাংলাদেশের অন্য যেকোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে
২০২০ থেকে ২০২৬ — মাত্র পাঁচ বছরে g444 বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই যাত্রাটা সহজ ছিল না, কিন্তু আমাদের সদস্যদের বিশ্বাসই আমাদের এগিয়ে নিয়েছে।
আমাদের অভিজ্ঞ দল প্রতিদিন কাজ করছে আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো করতে
স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা আমাদের ভিত্তি
g444 আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে। আমাদের গোপনীয়তা নীতি পড়ুন এবং দায়িত্বশীল খেলা নির্দেশিকা মেনে চলুন। g444 একটি ১৮+ প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং ও বেটিং কোনো নতুন বিষয় নয়। কিন্তু বহু বছর ধরে এই সেক্টরে বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিকারের উপযুক্ত কোনো প্ল্যাটফর্ম ছিল না। বিদেশি প্ল্যাটফর্মে ইংরেজির ঝামেলা, ডলারে পেমেন্টের জটিলতা আর বাংলায় সাহায্য না পাওয়ার হতাশা — এই সমস্যাগুলো নিয়েই কথা হচ্ছিল। g444 সেই ফাঁকটা পূরণ করতে এসেছে।
g444-এর প্রতিষ্ঠাতারা বিশ্বাস করতেন যে বাংলাদেশের গেমিং সম্প্রদায় একটি ভালো অভিজ্ঞতার যোগ্য। শুধু খেলার সুযোগ নয় — একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রতিটি সদস্য নিজেদের ভাষায় সব কিছু বুঝতে পারবেন, নিজেদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন এবং কোনো সমস্যায় বাংলায় সাহায্য পাবেন। সেই লক্ষ্য থেকেই ২০২০ সালে g444-এর যাত্রা শুরু।
ঢাকা-চট্টগ্রামের মতো বড় শহরে g444-এর সদস্য থাকবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু g444-কে বিশেষ করে তুলেছে তার দেশজুড়ে বিস্তার। গাজীপুর থেকে গাইবান্ধা, কুমিল্লা থেকে কক্সবাজার — সারা বাংলাদেশের মানুষ g444 ব্যবহার করছেন। কারণ g444 কখনো শুধু শহুরে মানুষের জন্য তৈরি প্ল্যাটফর্ম ছিল না। ধীর ইন্টারনেটেও কাজ করে এমন অপটিমাইজড অ্যাপ, ৩G কানেকশনেও স্মুদ পারফরম্যান্স — এই বিষয়গুলো g444-এর ডিজাইনের অংশ।
g444-এর সদস্যরা শুধু বড় শহরের নন — রাজশাহীর কৃষক, সিলেটের ব্যবসায়ী, বরিশালের ছাত্র — সবার জন্যই g444 সমান সুবিধার। এই ব্যাপকতাটাই g444-কে সত্যিকারের বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম করে তুলেছে।
g444-এর সব থেকে বড় শক্তি হলো স্বচ্ছতা। লটারির প্রতিটি ড্র লাইভ সম্প্রচার করা হয়। প্রতিটি স্লটের RTP (Return to Player) হার পাবলিকলি প্রকাশিত। ড্রয়ে ব্যবহৃত Random Number Generator তৃতীয় পক্ষের অডিটরদের দ্বারা যাচাই করা। কোনো লুকানো নিয়ম নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই — g444-এ সব কিছু স্পষ্ট ও সরল।
পুরস্কার বিতরণেও একই স্বচ্ছতা। ড্র ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথে বিজয়ীদের অ্যাকাউন্টে পুরস্কার জমা হয় — কোনো আবেদন নেই, কোনো অপেক্ষা নেই। গত পাঁচ বছরে g444 বাংলাদেশের সদস্যদের মাঝে কোটি কোটি টাকার পুরস্কার বিতরণ করেছে — প্রতিটি টাকা সময়মতো, প্রতিটি বিজয়ী সন্তুষ্ট হয়ে।
g444 বিশ্বাস করে যে গেমিং একটি বিনোদন — ব্যবসা নয়, নেশা নয়। তাই g444-এ সদস্যদের জন্য ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে, সেলফ-এক্সক্লুশনের অপশন আছে এবং আসক্তি সম্পর্কিত সাহায্যের রিসোর্স সহজলভ্য। ১৮ বছরের নিচে কেউ g444 ব্যবহার করতে পারবেন না — এই নিয়ম কঠোরভাবে মানা হয়। g444-এ খেলুন আনন্দে, দায়িত্বশীলভাবে।